তুরস্কের পশুজাত পণ্য আমদানি করবে না সৌদি!

0
42

তুরস্ক থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পশুজাত পণ্য আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। সরকারি সূত্রের বরাতে তুর্কি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

আঙ্কারায় সৌদি দূতাবাস থেকে রিয়াদে তুরস্কের দূতাবাসের কমার্শিয়াল কনস্যুলারকে বিষয়টি জানানো হয়। কমার্শিয়াল কনস্যুলারের বরাতে তুর্কি গণমাধ্যম দুনিয়া এ খবর জানিয়েছে।
তুর্কি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।

সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথোরিটির ১৫ নভেম্বরের ঘোষণা অনুযায়ী গরুর মাংস, মাটন, সাদা মাংস, পোল্ট্রি, মাছ এবং জলজজাত পণ্য, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য, ডিম এবং মধুসহ এ সংশ্লিষ্ট কোনো পণ্য তুরস্ক থেকে সৌদি আরবে আমদানি করা হবে না।
এ সিদ্ধান্তের আগে তুর্কি পণ্যে আংশিক নিষেধাজ্ঞা দেয় সৌদি আরব। করোনার কারণে সারাবিশ্বের মতো তুরস্কের অর্থনীতিই চ্যালেঞ্জের মুখে জানিয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় আঙ্কারা। তবে সে আহ্বান উপেক্ষা করেই তুরস্কের পণ্য আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলো সৌদি আরব।

এর আগে, সৌদি আরবের ব্যবসায়ী নেতা এবং সামাজিক মাধ্যমে উঠা তুর্কি পণ্য বয়কটের ডাকে সাড়া দেয় দেশটির সবচেয়ে বড় সুপার মার্কেটগুলো।

গেল কয়েক বছর ধরে দেশ দুটির মধ্যে আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে উত্তেজনা চলছে। ২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খুন হন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে।

এর আগে সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম জানায়, তুর্কি পণ্যে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেবে না রিয়াদ কর্তৃপক্ষ।
রিয়াদের কিছু খুচরা দোকানে তুর্কি পণ্যবিরোধী প্রচারণা লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে ক্রেতাদের তুর্কি পণ্য না কেনার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

২০১৯ সালে সৌদি আরবে ৩শ’ ১০ কোটি মার্কিন ডলার রফতানি করে তুরস্ক। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সৌদি আরবের আমদানি করা রাষ্ট্রের তালিকায় ১২ নম্বরে ছিল তুরস্ক। জুলাইতে ১৮ দশমিক ৫ কোটি মার্কিন ডলার রফতানি করে তুরস্ক। যা আগের মাসে ছিল ১৮ কোটি মার্কিন ডলার।