ফিলয়োস বন্দরঃ সুলতান আব্দুল হামীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

ইস্তাম্বুল|


উসমানী সাম্রাজ্যের অন‍্যতম সুলতান ও খলীফাতুল মুসলিমীন আমীরুল মু’মিনীন হযরত আব্দুল হামীদ খান রহঃ এঁর একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চলেছে তুরস্কের সরকার। সুলতান আব্দুল হামীদ খান রহঃ এঁর স্বপ্নের ফিলয়োস প্রকল্প সুসম্পন্ন হতে চলেছে। এসংবাদ জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি ও আল জিসর তুর্ক।

উত্তর তুরস্কে অবস্থিত জাঙ্গুলদাগ প্রদেশে অবস্থিত ফিলয়োস বন্দরটির কাজ সুসম্পন্ন হতে চলেছে। ২০১৬ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের পরিকল্পনা উসমানী যুগে আব্দুল হামীদ খান রহঃ এঁর সময় করা হয়েছিল। প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমি জুড়ে এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল অঞ্চলটিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্য ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে ও আঞ্চলিক আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। মোট জমির মধ‍্যে ৪০০ হেক্টর জমিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এবছরের শেষে এই প্রকল্পটির প্রায় ৯৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি। ২০২৩ সালে প্রকল্পটির কাজ পূর্ণাঙ্গরূপে সম্পন্ন করা হবে। ২০২০ সালে এই বন্দরটি তুরস্কের তিনটি বৃহত্তম বন্দরের একটিতে পরিণত হবে ।

এই প্রকল্পটি অন‍্যান‍্য রাজ‍্যের মানুষকে কাজের জন‍্য বড় সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছে । ফলে এই বন্দরটি ইস্তাম্বুল পোতাশ্রয়ের ব্যস্ততা অনেকটা কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া এই পোতাশ্রয়টি আঞ্চলিক কর্মসংস্থান পরিকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে চলেছে। বন্দরটিতে ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ কাজ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্যঃ বন্দরটির সাথে বিমানবন্দরের নৈকট্য ও উন্নত সড়ক ব্যবস্থা বন্দরটির গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে দেবে , একথা বলাই বাহুল্য।‌


© টি আর টি বাংলা ডেস্ক