হাজীয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ করা হয়েছিল, মসজিদে রূপান্তরিত হতে চলেছে সেটি

 

ইস্তাম্বুল|


হাজিয়া সোফিয়া বা আয়া সোফিয়াকে ১৪৬২ খৃষ্টাব্দে মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে প্রমাণ পেশ করলেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলূদ জাউইশোগলু। এ সংবাদ জানিয়েছে তুরস্কের আরবী সংবাদমাধ্যম ওকালাতু আনবা’য়ি তুরকিয়া।

ইস্তাম্বুলের প্রধান আকর্ষণ আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ করা হয়েছিল ১৪৬২ খৃষ্টাব্দে। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলূদ জাউইশোগলু এবিষয়ে প্রমাণ পেশ করেন। তিনি এবিষয়ে তুর্কি এবং ইংরেজি মাধ্যমে ট‍্যুইটবার্তায় বলেন, ” হাজিয়া সোফিয়াকে ১৪৬২ খৃষ্টাব্দে মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ করা হয়েছিল।” তিনি তাঁর টুইটে একটি ছবি যোগ করেছেন যাতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, তিনি একটি ঐতিহাসিক নথি ধরে রয়েছেন যাতে প্রমাণিত হয়েছে যে, হাজিয়া সোফিয়াকে ১৪৬২ খৃষ্টাব্দে মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ করা হয়।

হাজিয়া সোফিয়াকে কেন্দ্র করে বিদেশীদের মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন,”হাজিয়া সোফিয়া কেন্দ্রিক সকল সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের বিষয়।”

এদিকে আজ আয়া সোফিয়াকে কেন্দ্র করে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিবৃতির কড়া জবাব দিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় মুখপাত্র হামী আকসোই। তিনি আমেরিকার জবাবে বলেন, ” আয়া সোফিয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত সেটা তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনো রাষ্ট্রের তাতে হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।”

সাম্প্রতিক আয়া সোফিয়াতে পবিত্র কুরআন পাঠকে কেন্দ্র করে গ্রীসের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তুরস্ক আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ১৪৫৩ সালে মুসলিম বীর ও উসমানী খলীফা মুহাম্মাদ আল ফাতিহ রহঃ বাইজান্টাইনের রাজধানী কনস্ট‍্যান্টিনোপল বিজয় করেন ও এর নাম দেন ইসলামবূল। পরবর্তীকালে যা ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত হয়। ইস্তাম্বুল বিজয়ের পর তিনি আয়া সোফিয়া মসজিদটি নামাজ ও ইবাদতের জন্য খুলে দেন।

উল্লেখ্যঃ উক্ত সংবাদমাধ্যম অপর একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, তুরস্কের শাসকদল AKP আগামী মাসে আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে খুলে দিতে চায়।


© টি আর টি বাংলা ডেস্ক