পিকেকে সন্ত্রাসিদের পতন ঘনিয়ে এসেছে, স্বীকার করল এক পিকেকে সন্ত্রাসি

 

ইস্তাম্বুল|


মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার পিকেকে সন্ত্রাসিগোষ্ঠী অদৃশ্য হয়ে যেতে চলেছে। এমনি মন্তব্য করল একজন গ্রেফতার হওয়া গুরুত্বপূর্ণ পিকেকে সন্ত্রাসি। আজ ও এসংবাদ দিয়েছে ডেইলি সাবাহ।

সাহাবেত্তিন তোপরাক ওরফে আব্দুররহমান নামক ঐ সন্ত্রাসিটি সাম্প্রতিক তুরস্ক ও ইরানের সীমান্তে তার স্ত্রী মেরিয়েম দুনদার ওরফে কুর্দিস্তান সহ তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা মিল্লী ইসতিখবারাত তাশকিলাতী কর্তৃক গ্রেফতার হয়। প্রশ্নোত্তর চলাকালীন দুন্দার জানিয়েছে যে, পিকেকে সন্ত্রাসিগোষ্ঠীর পতন নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং তাঁরা চেষ্টা করলেও আর ঠেকাতে পারবে না। সে আরো জানায় যে, সিরিয়া ও ইরাকে এই গোষ্ঠীর বহু সন্ত্রাসি পালানোর পথে তুর্কি সেনাবাহিনীর শিকার হয় আর যারা পালাতে পারে নি তারা তুরস্কের সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

তোপরাক পিকেকে সন্ত্রাসিগোষ্ঠীর মূল ঘাঁটি ইরাকের কান্দিলের মেয়র নির্বাচিত হয়। দীর্ঘ দিন ধরে লেবাননের বেক্কা উপত্যকা কে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার পর ১৯৯০ সালে ইরাকের কান্দিল পিকেকে সন্ত্রাসিগোষ্ঠীর মূল ঘাঁটিতে পরিণত হয়। তুরস্ক পিকেকে সন্ত্রাসিদের ঘাঁটি কান্দিলে বহুবার বিমান হামলা চালিয়ে পিকেকে সন্ত্রাসিদের ধ্বংস করে ।

তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে পিকেকে সন্ত্রাসিদের নির্মূল করতে বিভিন্ন সন্ত্রাসি বিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকে ও সিরিয়াতে এই সন্ত্রাসি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তুরস্ক রীতিমতো অভিযান চালাচ্ছে। তুরস্কের প্রচেষ্টার পর পিকেকে গোষ্ঠী কে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে। পিকেকে সন্ত্রাসিগোষ্ঠী শিশু , নারী সহ প্রায় ৪০ হাজার নিরিহ মানুষ হত‍্যার জন্য দায়ী।


© সাওদা আরশাল