মোদিকে মালয়েশিয়ায় থাকা ভারতীয়দের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন মাহাথির | TRT Bangla
Home International মোদিকে মালয়েশিয়ায় থাকা ভারতীয়দের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন মাহাথির

মোদিকে মালয়েশিয়ায় থাকা ভারতীয়দের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন মাহাথির

0
মোদিকে মালয়েশিয়ায় থাকা ভারতীয়দের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন মাহাথির

 

কুয়ালালামপুরঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মালয়েশিয়ায় থাকা ভারত অভিবাসীদের স্মরণ করিয়ে দিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ । তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় চীনা ও ভারতীয় সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এখন আমরাও যদি তাই করি, আপনারা সকলেই জানেন সে ক্ষেত্রে কী হবে।

অশান্তি হবে, স্থি’তাব’স্থা বি’ঘ্নি’ত হবে এবং মানুষকে ভু’গতে হবে…এই আইনের জন্য ইতিমধ্যে মানুষ ম’রতে শুরু করেছে।বিগত প্রায় ৭০ বছর ধরে যখন কোনও স’ম’স্যা ছাড়াই তারা সে দেশে নাগরিক হিসাবে কাটিয়েছেন, তাহলে এখন এমন একটা আইন পাস করানোর কী দরকার ছিল?

কুয়ালালামপুর শীর্ষ বৈঠকের শেষে শুক্রবার মিডিয়া সেন্টারে মাহাতির মোহাম্মদ বলেন,“আমার দেখে খুব খা’রা’প লাগছে যে নিজেদেরধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বলে দাবি করা ভারত এখন সে দেশের মুসলিমদের নাগরিকত্বের অধিকার থেকে ব’ঞ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।” মাহাতির মোহাম্মদের এই মন্তব্যের পরই গ’র্জে ওঠে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

এক বিবৃতি জা’রি করে নয়া দিল্লির তরফে বলা হয়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফের এমন একটা বিষয়ে মন্তব্য করে বসেছেন যা সম্পূর্ণ রূপে ভারতের অভ্যন্তরীণ।বিবৃতিতে বলা হয়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের কোনও নাগরিকের নাগরিকত্ব কে’ড়ে নেবে না বা কোনও ভারতীয়কে তার নাগরিকত্বের অধিকার থেকে ব’ঞ্চি’ত করবে না।

তাই, তার মন্তব্য তথ্যগতভাবে সঠিক নয়।ফলে আমরা আশা করব, তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনও বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বি’র’ত থাকবেন। বিশেষত, বিষয়টি ভাল করে না বুঝে তো একেবারেই কোনও মন্তব্য করবেন না।মুসলমানরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মোদির মসনদ তছনছ হয়ে যাবে:আল্লামা শফীমুসলমানরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মোদির মসনদ তছনছ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা আহমদ শফী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।ভারতের এনআরসি বিল হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র তৈরির ঘৃণ্য প্রয়াস বলে দাবি করে হেফাজত আমির বলেন,ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোতে অমুসলিম সংখ্যালঘুরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছে বলে দাবি করে পার্শ্ববর্তী তিনটি দেশ বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন,

পার্সি ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন,তাদের নাগরিকত্ব দেয়ার জন্য যে আইন পাস করেছে তা মূলত মুসলমানদের একঘরে করে ভারতকে হিন্দুকরণ করার ঘৃণ্য প্রয়াস। আল্লামা আহমদ শফী বলেন, মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের ওপর যেভাবে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে তা পরিষ্কার রাষ্ট্রীয় নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মুসলমানদের পাশাপাশি যেভাবে সাধারণ জনগণ ফুঁসে উঠেছে তা বিজেপি সরকারের প্রতি চরম অনাস্থা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, ভারতের মুসলমান প্রচণ্ড ধৈর্যশীল। তবে এ কথা ভুলে গেলে চলবে না, মুসলমানরা ধৈর্যশীল তবে ভীরু নয়।মুসলমানরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মোদির মসনদ তছনছ হয়ে যাবে। হেফাজত আমির আরও বলেন, ভারতের দীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানে মুসলমানদের নাম মিশে আছে।

ভারতের ঐতিহাসিক প্রায় সব স্থাপত্য মুসলমানদের তৈরি।চাইলেই এ সব মুছে দেয়া যায় না। ভারতীয় মুসলমানদের কাছে পুরো বিশ্ব ঋণী।তিনি বলেন, বিজেপিসহ কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠনগুলো মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর ধারাবাহিক যে নির্যাতন-নিপীড়ন চালাচ্ছে তা করে ভারতকে মুসলিমশূন্য করা যাবে না।

বরং এ সব নির্যাতন-নিপীড়ন মোদি ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর পতন ডেকে আনবে।আল্লামা আহমদ শফী আরও বলেন, কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর থেকে ভারতীয় মুসলমানগণ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে। ভারতকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সাম্প্রদায়িক সহবস্থানের দেশ দাবি করলেও শুধু মুসলিম হওয়ার অপরাধে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে।

কাশ্মীরের মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে, মা-বোনকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। মোদি সরকারের এ কথা জেনে রাখা উচিত, জুলুম-নির্যাতন করে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। হেফাজত আমির আরও বলেন, ইসলাম সব সময় মানবাধিকারের কথা বলে। শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার কথা বলে।অমুসলিম সম্প্রদায়কে নিরাপত্তাদানের কথা বলে।আর বাংলাদেশি মুসলমানগণ বারবার তা প্রমাণ করে দেখিয়েছে।

মানবপ্রাচীর তৈরি করে মন্দির পাহারা দেয়ার নজির আমরা দেখিয়েছি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে বসবাস করে আসছে।ইতালিতে নতুন করে প্রায় ২০ হাজার লোক ইসলাম গ্রহণ করেছে !ইতালিতে ২০ হাজার লোকের ইসলাম গ্রহণ- গোটা ইউরোপে যখন ইসলাম আ”ত”ঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে তখন ইসলাম গ্রহণের হার কমেনি।

সম্প্রতি ইউরোপে ইসলাম সর্ম্পকে মানুষের জানার আগ্রহ বাড়ছে। বাড়ছে ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা।এমন প্রেক্ষাপটে ২০১৬ সালে ইতালির সাবেক একজন পার্লামেন্ট সদস্যর মেয়ের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে দেশটিতে সৃষ্টি হয়েছিল তোলপাড়। ম্যানুয়েলা ফ্রাংকো বারবাতো নামের এই তরুণীর এখন নতুন নাম আয়েশা।ইসলাম গ্রহণের পর ইসলামের অনুশাসন তিনি মানছেন।

পূর্ণাঙ্গ হিজাবী এই নারী ইতালির এক সাবেক এমপি ফ্রাংকো বারবাতোর মেয়ে। তিনি তার বাবার খ্রিষ্টধর্ম থেকে ইসলামে দীক্ষিত হয়েছেন।ম্যানুয়েলার এই ইসলাম গ্রহণের ঘটনা এখন ইতালিতে আলোচনার বিষয়। খ্রিষ্টান উ”গ্র”প”ন্থী”রা কঠোরভাবে সমালোচনা করছেন তার। সমালোচনা থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না তার বাবাও।ফ্রাংকো বারবাতোকে হাফিংটন পোস্টের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল,

আপনার মেয়ে তো মুসলমান হয়ে গেল, এখন আপনার কেমন লাগছে?তার উত্তর ছিল, ‘শুধু খারাপ না, খুবই খারাপ লাগছে। কারণ এটি একটি অত্যন্ত কঠোর ধর্ম, খুবই চ”র”ম”প”ন্থী, একদম সেকেলে! এই ধর্মটি মৌ”ল”বা”দী।আমার মেয়ে আমার সাথে থাকাবস্থায় আমি নিজে দেখেছি। প্রতিদিন দেখেছি নামাজের সময় হলে সে সন্তানের কথাও ভুলে যায়!

এজন্য আমি তার প্রতি রাগ করতাম। সে যা নিজের জন্য পছন্দ করেছে আমি তাতে খুবই ব্যাথিত।তবে আয়েশা ইসলাম গ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত, সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, ‘আমার আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য আমি গর্বিত।এসব আল্লাহর নিয়ম, আমার অভিযোগ করার কী আছে?’ নিজের হিজাব পরিধান নিয়ে চারপাশে যত কথা। তার উত্তরে আয়েশা বলেন, ‘হিজাব আমার জীবনের অংশ, যা আল্লাহ আমার জন্য পছন্দ করে দিয়েছেন।

আয়েশা আগে বাবার সাথে থাকলেও প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার পর তার স্বামীকে নিয়ে ভারতে চলে গেছেন।সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের গ্রাজুয়েশন করছেন। বিবাহিত জীবনে তার দুই শিশু সন্তান রয়েছে। ইতালিতে ১৭ লাখ মুসলমানের বসবাস।

ইতালীর সরকারি সংস্থার হিসাবে দেশটিতে প্রায় বিশ হাজার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অন্যান্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।ইতালির এই চিত্র প্রমাণ করে ইউরোপে ক্রমবর্ধমান ধর্ম হিসাবে ইসলামের প্রসার ঘটছে।হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে জুমবাংলানিউজ/এসওআর জার্মান ফুটবলার ওজিলের সঙ্গে এরদোগানের ইফতারের ছবি ভা’ই’রা’ল।

আর্সেনালের জার্মান মিডফিল্ডার মেসুত ওজিলের সঙ্গে ইফতার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। গেল শনিবার ইস্তানবুলে ইফতার করেন তারা।এদিন অটোমান যুগের দলমাবাহাস রাজপ্রাসাদে রাজকীয় ইফতার পার্টি হয়। এতে এরদোগানের টেবিলের একপাশে বসেন ওজিল ও তার বাগদত্তা এমিনে গুলসে।

এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায় তাদের।ইতিমধ্যে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ওজিল।দীর্ঘদিনের বান্ধবী গুলসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন তিনি। বহুল প্রতীক্ষিত এ বিয়েতে অতিথি হিসেবেও দেখা যেতে পারে এরদোগানকে। ইতিমধ্যে তুর্কি প্রেসিডেন্টের হাতে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র ।

আপনাদের প্রিয় ওয়েবসাইট TRT Bangla এন্ড্রয়েড এপ্স লঞ্চ করেছে। প্রত্যেকে নিজের মোবাইলে ইন্সটল করতে ছবিতে ক্লিক করুন।
TRT Bangla

FREE
VIEW