সাকিব কি সত্যিই ফিক্সিং করেছেন?

কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে নয়, সাকিব আল হাসানকে একটি আইপিএলের ম্যাচ এবং একটি বিপিএলের ম্যাচের আগে একজন জুয়াড়ি ফোন দিয়েছিলো। একই জুয়াড়ি দুইবার তাকে ফোন দিয়েছিলো। জানা গেছে, সাকিব তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, প্রস্তাবে তিনি রাজি নন। কিন্তু সাকিব এই প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি বিসিবির আকসু অথবা আইসিসির আকসুকে জানাননি। ফিক্সিংয়ে না জড়ালেও প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি গোপন করায় তার ওপর নেমে আসছে আইনি খড়গ।
এই অভিযোগ সত্যি হলে ২.৪ এর ৪ উপধারা অনুযায়ী সাকিব আল হাসানকে ১৮ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করতে পারে আইসিসি। এই অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর এবং সর্বনিম্ন ৬ মাস।
ক্রিকেটপ্রেমেীদের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে, ভারত সফরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের ঠিক আগ মুহূর্তে সাকিব আল হাসানের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার যার কিনা ভারতের মাটিতে টেস্ট এবং টি-২০ উভয় সিরিজেই দলকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা তার বিরুদ্ধে পুরনো এই অভিযোগ উঠে আসলো?
সম্প্রতি ক্রিকেটারদের আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন সাকিব। আন্দোলন নিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। যেখানে তিনি ছোট্ট করে বলেছিলেন, অল্প দিনের মধ্যেই ফিক্সিংয়ের খবর আসবে। খবর এসেছে ঠিকই। তাও যেমন তেমন কাউকে নিয়ে নয়, দেশের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে।
দুই বছর আগের অভিযোগ কেন এখন আসলো তা নিয়েই প্রশ্ন দর্শক সমর্থকদের মনে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বনানীতে সাকিব আল হাসানের বাসার সামনে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়।