Know Turkey Go TRT Bangla
Home Blog

তুরস্ককে সুপার পাওয়ার দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার কথা বললেন এরদোগান!

তুরস্ককে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুপার পাওয়ার একটা দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার কথা আজকে আবারো বললেন এরদোয়ান।

সেই লক্ষ্যেই তুরস্কের ফরেন পলিসি সেট করেছে এরদোয়ান। এবং প্লানিং অনুযায়ীই এগোচ্ছে দেশটি।

সুপার পাওয়ার হতে নৈতিক ভিত্তি মজবুত প্রজন্ম দরকার। সেই নৈতিকতা সেনাবাহিনীতেও দরকার।

ডিফেন্স সেক্টরে শক্তিশালী হওয়ার দরকার। ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রির বেস শক্ত হতে হবে এবং নিজেদের ডিফেন্স কোম্পানি থাকতে হবে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।
পাশাপাশি দেশের বাহিরেও অস্ত্রের বাজার তৈরি করতে হবে।
সামরিক সেক্টররে প্লানিং অনুযায়ীই এগোচ্ছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজেদের জ্বালানির নিশ্চয়তার পাশাপাশি অন্যদের জ্বালানির জোগান বা সাপ্লাই লাইনে প্রভাব থাকলে আলোচনার টেবিলে অনেক কিছুই নিজেদের ফেবারে নেওয়ার যায়।

তুরস্ক ভু-মধ্যসাগরে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের পাশাপাশি ইউরোপের পাওয়ার হাব হচ্ছে। আগামীতে ইউরোপের জ্বালানি মেক্সিমাম তুরস্ক হয়েই যেতে হবে।

এরপরে অর্থনীতি মজবুত করতে টেকনোলজি উন্নত করার পাশাপাশি দেশের বাহিরে বাজার দরকার। ইউরোপের পাশাপাশি আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক ভালো করছে।

ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে ইসরাইল!

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে যায় তাহলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলের এক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এবং ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ২০১৫ সালে ওই পরমাণু চুক্তিটি হয়। তবে ২০১৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে একতরফাভাবে বের করে আনেন। এরপর ইরানের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
চ্যানেল-১২ এর বরাতে শনিবার (২২ জানুয়ারি) পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি বারাক ওবামা প্রশাসনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তাহলে তার সঙ্গে আলোচনার কোনো কিছু থাকবে না বলে ইরসাইলি ওই কর্মকর্তা হুশিয়ারি দিয়েছেন।

ওই প্রতিবেদনে সুস্পষ্ট করা হয়নি যে, ইসরাইলের শীর্ষ পর্যায়ের ওই কর্মকর্তা জো বাইডেনের কোন পরিকল্পনার কথা বোঝাতে চেয়েছেন তবে ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইসরাইল ভিন্ন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওই কর্মকর্তা ইরানের পরমাণু সমতায় ফেরার কথা বলেছেন।
মার্কিন প্রশাসন যদি পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসে তাহলে ইসরাইল এবং আমেরিকার সম্পর্ক সংকটের মধ্যে পড়বে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইসরাইলের গণমাধ্যমে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয় জো বাইডেনের ক্ষমতা গ্রহণের দিন।

রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু চুক্তির মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র!

রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়াতে চান যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শপথ নেওয়া প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ২০ জানুয়ারি দেশটির ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই এ উদ্যোগের কথা জানান বাইডেন। খবর রয়টার্স ও আনাদোলু এজেন্সির।

রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরমাণু চুক্তি আছে। স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি (স্টার্ট) অনুযায়ী, দুই দেশ এক হাজার ৫৫০টির বেশি পরমাণু অস্ত্র রাখতে পারে না। ৫ ফেব্রুয়ারি এই অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

বাইডেন প্রশাসন এখন এই চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়াতে চায়। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, বাইডেন অনেক দিন ধরেই বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থেই নতুন স্টার্ট চুক্তি করা দরকার। এখন এই চুক্তি করাটা আরও বেশি দরকার। কারণ রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন শত্রুতাপূর্ণ।

হোয়াইট হাউসের এই প্রেস সেক্রেটারি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে চায় বাইডেন প্রশাসন। বাইডেন ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের বলেছেন, রাশিয়া কোনোভাবে ২০২০-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রভাবিত করতে চেয়েছিল কিনা, তারা যেন তা খতিয়ে দেখেন। তা ছাড়া রাশিয়ায় পুতিনবিরোধী নেতা নাভালনিকে বিষ দিয়ে হত্যার চেষ্টা এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের নিয়ে রাশিয়ার উদ্যোগ বাইডেন প্রশাসন খুব ভালোভাবে দেখছে না। মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাশিয়া যেন এ রকম বেপরোয়া ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কাজ না করে।

স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে রাশিয়ার কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আণবিক বোমা রয়েছে৷ দেশটিতে এ ধরনের বোমার সংখ্যা ৬,৩৭৫টি৷ ১৯৪৯ সালে রাশিয়া প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করেছিল৷

রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্টার্ট ওয়ান চুক্তি হয় ১৯৯১ সালে, যেটি কার্যকর হয় আরও তিন বছর পর। ওবামা প্রশাসনের সময় নিউ স্টার্ট চুক্তি সই করে দুদেশ। েএতে বলা হয়, দুদেশের পরমাণু স্থাপনা ১৫৫০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্যান্য বিধ্বংসী অস্ত্রও সীমিত থাকবে।

রাশিয়া অবশ্য পরমাণু চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য একাধিকবার আমেরিকাকে অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট থাকার সময় ট্রাম্প বারবার সেই অনুরোধ খারিজ করে দিয়েছেন। শেষের দিকে অবশ্য ট্রাম্প চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রাশিয়া তখন ট্রাম্পের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, ‘এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ালে দুই দেশই উপকৃত হবে। তখন পরমাণু অস্ত্রের মজুদ বাড়ানো হবে না। আমেরিকার ঝুঁকিও কমবে।

জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে রাখবে প্রেসিডেন্ট বাইডেন!

যুক্তরাষ্ট্রে ডেনাল্ড ট্রাম্পের জামানা শেষ হওয়ায় হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন নির্যাতিত ফিলিস্তিনিরা। ভেবে ছিলেন, তাদের দুর্দিন বুঝি শেষ হলো। কিন্তু নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কণ্ঠে ট্রাম্পের সুর শুনে যারপরনাই হতাশ ফিলিস্তিনিরা। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

মার্কিন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ফিলিস্তিনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অ্যান্থনি ব্লিংকেন বলেছেন, তিনি পবিত্র আল-কুদস বা জেরুজালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী মনে করেন।

মার্কিন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন

মঙ্গলবার সিনেটের এক শুনানিতে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি জেরুজালেম শহরকে ইসরাইলের রাজধানী মনে করেন কিনা এবং ট্রাম্পের বিদায়ের পর জেরুজালেম শহরেই মার্কিন দূতাবাস রাখা হবে কিনা। জবাবে ব্লিংকেন দুইবার হ্যাঁ বলেন।

দীর্ঘদিনের অনুসৃত নীতি উপেক্ষা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেম শহরে স্থানান্তর করেন।

ট্রাম্পের বিদায়ের পর সেই ধারা অব্যাহত থাকবে কিনা তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল, সেই প্রশ্নের অবসান ঘটালেন ব্লিংকেন।

তার এই ঘোষণার পর গাজাভিত্তিক ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে জেরুজালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইল দখল করে নিয়েছে। ব্লিংকেনের বক্তব্যে এখন ট্রাম্পেরই সুর বাজছে।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেছেন, এটি গোটা আরব জাতির জন্য আরেকটি প্রকাশ্য অপমান।

গাজাভিত্তিক ইসলামি জিহাদ আন্দোলনও বলেছে, যেসব দেশ বাইডেন প্রশাসনের কাছে নতুন কিছু প্রত্যাশা করছিল এই বক্তব্যের মধ্যদিয়ে মার্কিন প্রশাসন তাদের মুখে থাপ্পড় মেরেছে।

সংগঠনের মুখপাত্র দাউদ শিহাব বলেন, ব্লিংকেনের এই বক্তব্যের মধ্যদিয়ে আবার পরিষ্কার হলো যে, তারা দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইল সরকারকে সমর্থন করছে এবং তাদের নেতৃত্বে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এও পরিষ্কার হলো যে, ফিলিস্তিনিদেরকে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হবে।

১৯৯৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস আল-কুদস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প কেবল সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছেন এবং তার উত্তরসূরি জো বাইডেন কংগ্রেসের সিদ্ধান্তকে উল্টে দিতে পারবেন না বলেই বিশ্বাস করছেন ফিলিস্তিনি নেতারা।

ব্রাজিলে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মসজিদ বেড়েছে চারগুণ!

জনসংখ্যার দিক থেকে সারা বিশ্বে ব্রাজিলের অবস্থান পঞ্চম। প্রায় ২০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা এই দেশটিতে। এরমধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা হল ১৭ লাখের মত। ব্রাজিলের মোট জন সংখ্যার যা ৫-৬ শতাংশ।

গাণিতিক হিসাবে লাতিনের সর্ববৃহৎ এই দেশটিতে ইসলাম ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা কম মনে হলেও আনন্দের সংবাদ হচ্ছে, ব্রাজিলে মুসলমানের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সেইসাথে বাড়ছে উপাসনালয় মসজিদের সংখ্যা যা বিশ্ব মুসলিমের জন্য খুশির খবর।

সাওপাওলোতেই মাসে গড়ে ছয়জন মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে। জানা যায়, ব্রাজিলে ইসলামের আগমনর ঘটে ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দে। বিখ্যাত পর্তুগিজ পরিব্রাজক ও আবিষ্কারক পেড্রো আলভারেস কারব্যাল যখন ব্রাজিল উপকূলে জাহাজ নোঙর করেন, তখন তাঁর সঙ্গে বেশ কিছু স্বনামধন্য, দক্ষ, কর্মঠ ও পারদর্শী মুসলিম নাবিক ছিলেন।

তন্মধ্যে শিহাবুদ্দিন বিন মাজেদ ও মুসা বিন সাতি অন্যতম। ইতিহাসের বরাত অনুযায়ী তাঁদের হাত ধরেই ব্রাজিলে ইসলাম ও মুসলমানের আগমন ঘটে।

বর্তমানে ব্রাজিলের প্রতিটি শহরেই মসজিদ আছে। ব্রাজিলে মসজিদের সংখ্যা প্রায় ১৩০টি। ২০০০ সালের তুলনায় মসজিদের সংখ্যা এখন চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া শিশুদের ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য রয়েছে মক্তব-মাদরাসা ও ইসলামিক স্কুল। সরকার থেকেও নিয়মিত পাচ্ছে সহযোগিতা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

রিও ডি জেনেইরোয় রয়েছে বৃহৎ ইসলামিক সেন্টার, ইসলামিক স্কুল, বেশ কয়েকটি বড় মসজিদ। সাওপাওলোতেও রয়েছে বিশাল মুসলিম কমিউনিটি।

করোনার টিকা গ্রহণ করেছে তুরস্কের স্বাস্থ্যকর্মীরা!

তুরস্কে ৯০ বছরের বেশি বয়স্কদের করোনার টিকা দিতে শুরু করেছে দেশটি। এদের মধ্যে অনেকেই বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা। চলতি মাসের ১৪ তারিখ থেকে টিকা দিতে শুরু করে দেশটি। এরই মধ্যে দুই ডোজ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন প্রায় সাড়ে আট লাখ স্বাস্থ্যকর্মী।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সব বাসিন্দাকে কোভিড নাইন্টিনের টিকার আওতায় আনতে নতুন করে পাঁচটি গণটিকাদান কেন্দ্র চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। বয়স্ক, স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মার্কিনদেরও দেয়া হচ্ছে করোনার টিকা।

কলম্বিয়ায় এখনও পৌঁছায়নি করোনার কোন টিকা। তবে চুক্তি অনুযায়ী টিকার চালান এলেই তা দেশব্যাপী বিতরণ ও মানুষের দেহে প্রয়োগ শুরু করবে দেশটি। এর জন্য সব প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি।

এ বছর ৫ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে ৩ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। যদিও প্রতিবেশী কোস্টারিকা, ব্রাজিল, মেক্সিকো আর চিলিতে এরই মধ্যে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

করোনার টিকা পেতে শুরু করেছে ব্রাজিলের অ্যামাজন জঙ্গলে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠী। সোমবার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের ১ হাজার ডোজ সরবরাহ করা হয় ওই অঞ্চলে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জো বাইডেন!

বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন জো বাইডেন। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্ট।

ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের ওয়েস্ট ফ্রন্টে আয়োজন করা হয় শপথ অনুষ্ঠানের। নিজের পরিবারের ১২৭ বছরের পুরোনো বাইবেলের একটি কপি হাতে শপথবাক্য পাঠ করেন বাইডেন।

ইউএসএ টুডের খবরে বলা হয়, পূর্বঘোষণা মতোই এই শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৮৬৯ সালে অ্যান্ড্রু জনসনের পর থেকে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার উত্তরসূরির অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগদান থেকে বিরত থাকলেন। তবে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

অন্যদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, জর্জ ডব্লিউ বুশ ও বিল ক্লিনটন এবং সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, লরা বুশ ও হিলারি ক্লিনটন। সাবেক প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ জিমি কার্টার (৯৬) ও সাবেক ফার্স্ট লেডি রোজালিন কার্টার অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। তারা বিষয়টি আগেই জানিয়ে দিয়ে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে তাদের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সামরিক, বেসামরিক শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

লেডি গাগা
বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন করেন সংগীত তারকা লেডি গাগা। এ সময় উপস্থিত সবাই বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতের সাথে একাত্ম হন।

এরপর প্রথা অনুযায়ী প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে পথ নেন কমলা হ্যারিস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান ও প্রথম দক্ষিণ এশীয় হিসেবে এই পদে অধিষ্ঠিত হলেন কমলা। তাকে শপথ পড়ান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেয়র। শপথ শেষ হওয়ার পর তুমুল করতালি দিয়ে কমলাকে অভিনন্দন জানান সবাই।

কমলা হ্যারিসের শপথের পর সংগীত পরিবেশন করেন জেনিফার লোপেজ। এরপর শপথ গ্রহণ করে জো বাইডেন। স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে শপথ পড়ানো হয় বাইডেনকে। বাইবেলে হাত রেখে শপথ বাক্য পাঠ করেন বাইডেন। তাকে শপথ পড়ান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। শপথের পর তুমুল করতালি ও হর্ষধ্বনিতে অভিনন্দন জানানো হয় বাইডেনকে।

শপথ নেয়ার আগে বাইডেন ও তার স্ত্রী জিল বাইডেনের দিনটা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অতিথিশালা ব্লেয়ার হাউস থেকে। বুধবার সকালে বাইডেন প্রথমে যান ক্যাথেড্রাল অব সেন্ট ম্যাথিউ দ্য অ্যাপোস্টল গির্জায়। সেখানে তার সঙ্গে যোগ দেন তার দল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও বিরোধী দল রিপাবলিকান পার্টির নেতারা। প্রার্থনার পর বাইডেন এক টুইটে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এক দিনের সূচনা।’

ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে শপথ নিলেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট পূর্বসূরির কাছ থেকে এমন দেশ পাননি, যেমনটা ট্রাম্পের কাছ থেকে পেলেন বাইডেন। এই মুহূর্তে করোনা মহামারীর সংক্রমণ ও বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের সম্ভাব্য সহিংস আচরণের আশঙ্কায় লকডাউনে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি। করোনায় ইতিমধ্যে কেড়ে নিয়েছে চার লাখের বেশি মার্কিনের প্রাণ। আর ট্রাম্পের ‘উসকানিতে’ ৬ জানুয়ারি কংগ্রেস ভবনে হামলা চালান তার উগ্র সমর্থকেরা। এতে পাঁচজন নিহত হন, আহত হন কয়েক শ। বলা হচ্ছে, ট্রাম্পের মতো করে জনগণের মধ্যে বিভেদের দেয়াল গড়ে বিদায় নেননি কোনো প্রেসিডেন্ট। শুধু দেশে নয়, বহির্বিশ্বেও মার্কিন প্রভাব ক্ষয়িষ্ণু করেছেন ট্রাম্প। এ সব বিষয়ই বড় চ্যালেঞ্জ হবে বাইডেনের জন্য। এসব চ্যালেঞ্জ জয় করে বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দিন আনবেন, সেই প্রত্যাশা থাকবে সবার।

এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার সকালেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউস ছেড়ে যান ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার মেরিন ওয়ান ট্রাম্প ও মেলানিয়াকে উড়িয়ে নিয়ে যায় ম্যারিল্যান্ডের সামরিক ঘাঁটি জয়েন্ট বেইজ অ্যান্ড্রুজে। সেখানে দুজনেই বিদায়ী ভাষণ দেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে করে তাঁরা ফ্লোরিডার পাম বিচে চলে যান। সেখানে নিজস্ব রিসোর্টে পরবর্তী জীবন শুরু করছেন ট্রাম্প।

এরদোগান কি ইহুদিদের দালাল?

0

বাল্যকালে এরদোগান যখন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়তে যেতেন,পাবলিক হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলতো,
“কোন জায়গায় পড়ো মিয়া হাঁ ? ওইখানে পইড়া জীবনে কিছু করতে পারবা ?”

বালক এরদোগান স্বভাবসুলভ একটু মিস্টি হাসি দিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতেন।

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স কমপ্লিট করার উদ্দেশ্যে এসে পড়ে গেলেন দারিদ্রের কবলে। তিলওয়ালা পাউরুটি ও লেবুর শরবত বিক্রি করে পেট চালাতে লাগলেন তুরস্কের এই কথিত দালাল। করুণ চোখে ইস্তাম্বুলের অলিগলির দিকে তাকিয়ে থাকতেন।
ভাঙাচোড়া রাস্তা, উপচে পড়া ড্রেন, যানযট ছিলো সাধারণ সমস্যা।

মেয়র সাহেবেরা বাজেটের দোষ দেখিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকতেন। মাস্টার্স কমপ্লিট হলো। মেয়র সাহেবের জীবিকার দৌড় শুরু হলো। এরই মধ্যে ১৯৯৪ সালে ইস্তাম্বুলের মেয়র বনে গেলেন।

অতঃপর ১৯৯৬ সালের মধ্যে পুরো ইস্তাম্বুলের চেহারাই পাল্টে দিলেন। কথিত অল্প বাজেট নিয়েই একের পর এক ফ্লাইওভার, চার লেন সড়ক, ফুটপাট, বাইপাস রাস্তা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশণসহ বড় বড় কাঠামো নির্মাণ করে রাতারাতি দেশবাসীর হিরো হয়ে উঠলেন।

এরই মধ্যে এলো সবচেয়ে বড় আঘাত।তুর্কি সরকার ইসলাম ধর্মের আচার আচরণ পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বসলো। এহেন নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের বড় বড় লিডারদের এক কনফারেন্সে স্টেজে দাঁড়িয়ে স্বগর্বে স্বরোচিত একটা কবিতা আবৃত্তি করে ফেললেন—–

“মসজিদ আমাদের ব্যারাক,
গম্বুজ আমাদের হেলমেট,
মিনার আমাদের বেয়নেট
আর বিশ্বাসীরা আমাদের সৈনিক।”

ব্যস! মেয়র সাহেবের হয়ে গেলো চার বছরের জেল !
২০০১ সালে জেলফেরৎ এরদোগান তার এ.কে.পি. পার্টির পক্ষে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন। আইন সংশোধন করে বছরখানেক পর তুরস্কের ভাগ্যবিধাতা প্রেসিডেন্ট হয়ে জেঁকে বসলেন এই স্লিম ভদ্রলোক।

একের পর এক মসজিদ সংস্কার করলেন, হাফেজিয়া মাদ্রাসা গুলোকে স্বীকৃতি দিলেন, সকল শ্রেণির নারীরা যাতে পড়তে পারে সেজন্য হিজাবের দাম কমিয়ে দিলেন।

উত্তপ্ত ছাই ঢেলে কামাল পাশা নামক বাস্টার্ডের পুঁতে যাওয়া সেক্যুলারিজম নামক গাছকে এক নিমেষে মেরে ফেললেন, আরো কত কি !

আর সর্বশেষে ডারউইন নামক ইহুদী ক্রীড়ানকের বিবর্তন তত্ত্ব সিলেবাস থেকে দিলেন তুলে…! সর্বোপরি শারীয়াহ্ আইন চালু করে মুসলিম বিশ্বের মুকুটহীন সুলতান বনে গেলেন।

আজ আমাদের বাংলাদেশের ফতোয়াবাজ আলেমদের মুখে নতুন ইতিহাস শুনছি তিনি নাকি ইহুদীদের দালাল। তার দাড়ি-গোঁফ নেই, কোট প্যান্ট পরে ঘুরে বেড়ায় এই সকল ফতোয়াবাজরা।

ফতোয়া রাষ্ট্রে কি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে ?
যারা নিজ দেশের জালিম সরকারের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিতে পারে না, তারা এরদোগানের মত উদারচেতা শাসকের ওপর ফতোয়াবাজি করার নগ্নচিন্তা পায় কোত্থেকে ?

তারা ইসলামের মুখোশ পরা মানুষের বিরুদ্ধে কিছু বলেনা কিন্তু কেউ ইসলামের রাজ ক্বায়েম করতে গেলে তাঁদের ওপর ফতোয়া দেখায় !

আল্লাহ্ পাক এরদোগানের হাতে উসমানী খিলাফাতের পুনরুজ্জীবন ঘটান।

হোয়াইট হাউজ ছেড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প!

হোয়াইট হাউজ ছেড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হেলিকপ্টারে করে তিনি জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজের পথে রওনা দিয়েছেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার শেষ বক্তব্য প্রদান করবেন।

কয়েক ঘণ্টা পরেই যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডেমোক্র্যাট দলের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তার সঙ্গে কমলা হ্যারিস ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। সেখানে উপস্থিত থাকছেন না ট্রাম্প।

এবারের শপথ অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটন ডিসি ভূতুড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে। সেনাবেষ্টনির মধ্যেই শপথ নিতে হবে বাইডেন ও হ্যারিসকে। তবে অনুষ্ঠানে নামিদামি সব তারকার উপস্থিতি মিলবে।

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের অভিষেক হয়ে থাকে আনন্দমুখর পরিবেশে। লাখ লাখ মানুষ অভিষেক অনুষ্ঠান উদযাপন করতে ওয়াশিংটন ডিসিতে জড়ো হন। আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনুষ্ঠান দেখতে আসে মানুষ। কিন্তু এবার সেই চিরচেনা দৃশ্যের দেখা মেলবে না শপথ অনুষ্ঠানে।

করোনা ভাইরাস ও নিরাপত্তার কারণে এবার সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে আসতে পারছেন না। যা মার্কিনীরা তাদের ইতিহাসে কখনো দেখেনি।

ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে আড়াই হাজার অবৈধ বসতি স্থাপন করছে ইসরাইল!

ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে আড়াই হাজার বসতি স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের শপথ গ্রহণের প্রাক্কালে তারা এটি আহ্বান করলো। বুধবার একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা একথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।

খবরে বলা হয়, মার্চের নির্বাচনের আগে পশ্চিম তীরে নতুন করে ৭৮০ ইউনিট বসতি স্থাপনে ইসরাইল রোববার অনুমোদন দিয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ডানপন্থী এবং বসতি স্থাপনের পক্ষের প্রার্থী গিডিওন সেরার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পর্যবেক্ষণ সংস্থা পিচ নাউ জানায়, সরকার পশ্চিম তীরে আরো দুই হাজার ১১২ ইউনিট এবং ইসরাইলের বর্ধিত এ নগরীর পূর্বাঞ্চলের পূর্ব জেরুজালেমে ৪৬০ ইউনিট বসতি স্থাপনের জন্য বর্তমানে দরপত্র আহ্বান করেছে। কিন্তু এই পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনিরা ভবিষ্যত রাষ্ট্রের রাজধানী বানানোর আশা করে।

১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইসরাইল পশ্চিম তীর দখল করে রয়েছে এবং তারা সেখানে বসতি স্থাপনের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি করে চলেছে, বিশেষ করে ২০০৯ সাল থেকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে।
প্রায় ২৮ লাখ ফিলিস্তিনের মধ্যে পশ্চিম তীরে বর্তমানে প্রায় সাড়ে চার লাখ ইহুদি বসবাস করছে।

এদিকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাতের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ক্ষেত্রে এসব বসতি স্থাপনকে একটি বড় বাধা হিসেবে দেখছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার।

আপনাদের প্রিয় ওয়েবসাইট TRT Bangla এন্ড্রয়েড এপ্স লঞ্চ করেছে। প্রত্যেকে নিজের মোবাইলে ইন্সটল করতে ছবিতে ক্লিক করুন।
TRT Bangla

FREE
VIEW